For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

ICDS কেন্দ্রে বাসি খিচুড়ি নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড রায়গঞ্জে

ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে প্রায়শই শিশুদের বাসি খিচুড়ি দেওয়া হয়। এমনকি শনিবার থেকে পাত্রে জমে থাকা খিচুড়ি সোমবারও বিতরণ করা হয় বলে অভিযোগ।
03:06 PM Nov 28, 2023 IST | Koushik Dey Sarkar
icds কেন্দ্রে বাসি খিচুড়ি নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড রায়গঞ্জে
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বা ICDS Center-এ খেতে দেওয়া হচ্ছে বাসি খিচুড়ি। আর সেই অভিযোগকে ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড উত্তরবঙ্গের(North Bengal) উত্তর দিনাজপুর(Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জের একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। স্থানিয় বাসিন্দা তথা অভিভাবকদের অভিযোগ, রান্নার সঙ্গে বাসি খিচুড়ি(Stale Khichuri) মিশিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে বাচ্চাদের। বিষয়টি হাতেনাতে ধরে ফেলেছেন তাঁরা। তার পরই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা(Teacher), সহায়িকার গায়ে সেই বাসি খিচুড়ি ছুঁড়ে দেন তাঁরা। ঘটনা ঘিরে তুমুল শোরগোল রায়গঞ্জ ব্লকের বড়ুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গৈতর কেন্দ্রে। অভিভাবকদের অভিযোগ, শনিবারের বাসি খাবার প্রায়শয়ই সোমবার খাওয়ানো হয় বাচ্চাদের। আর এই সপ্তাহে সোমবার ছুটি থাকায় আজ, মঙ্গলবার সেই শনিবারের বাসি খাবার আজকের রান্নায় মেশানো হয়েছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে প্রায়শই শিশুদের বাসি খিচুড়ি দেওয়া হয়। এমনকি শনিবার থেকে পাত্রে জমে থাকা খিচুড়ি সোমবারও বিতরণ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর মঙ্গলবারও সেই ৩ দিন ধরে পাত্রে জমে থাকা খিচুড়ি বিতরণ করতে গেলে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এলাকাবাসীরা। এরপর কর্মীদের সঙ্গে গ্রামবাসীদের বচসা বাধে। বাসি খিচুড়ি ফেলে দিতে গেলে ওই খিচুড়ির বালতি কেড়ে নিয়ে হাতা দিয়ে কর্মীদের মাথায় ও শরীরে ঢেলে দেন বিক্ষোভকারীরা। বহু চেষ্টা করেও তাঁদের আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারেননি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী তথা শিক্ষিকা বিজলি সিংহ ও আরেক মহিলা কর্মী। তাঁদের মাথায়, গায়ে খিচুড়ি ভর্তি হয়ে যায়। যদিও বাসি খাবার দেওয়ার দায় সহায়িকার ওপর চাপিয়েছেন বিজলি সিংহ। তাঁর মন্তব্য, ‘আমি এভাবে খাবার মিশিয়ে দিতে বারণ করি। তবুও রাঁধুনি এমনটা করে। এতে আমার কোনও দোষ নেই। আমি অভিভাবকদের সেটাই বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি।’

Advertisement

স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যাও জানিয়েছেন, এই কেন্দ্রের কর্মীদের বিরুদ্ধে একাধিকবার এই অভিযোগ এসেছে। তাই এদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। খবর পেয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এসে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পের আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ‘এই ঘটনার জন্য যে বা যারা জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে। বিজলি সিংহ দাবি করেছেন তিনি আগে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখেছেন। রাঁধুনিদের এই ধরনের কাজ করতেও নিষেধ করেছেন। কিন্তু এই বিষয়ে উনি আমাদের কিছু জানাননি। কেন উনি এই ধরনের ঘটনা চেপে গেলেন সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।’

Advertisement
Tags :
Advertisement