For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

অর্ণবকে Ph.D. করতে দিতে সহযোগিতা রাজ্যের, কুণাল দোষ দিলেন উপাচার্যকে

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাও নেতা অর্ণব দামকে Ph.D. করতে দিতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
02:31 PM Jul 11, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
অর্ণবকে ph d  করতে দিতে সহযোগিতা রাজ্যের  কুণাল দোষ দিলেন উপাচার্যকে
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: সত্যের জয় হল। জয় হল মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের। শিলদা ইএফআর ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মাও নেতা(Maoist Leader) অর্ণব দামকে(Arnab Dam) Ph.D. করতে দিতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। হুগলির চুঁচুড়া জেলা বন্দী থাকা অর্ণব বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে(Burdwan University) ইতিহাসে Ph.D. করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল। সেই আবেদন গৃহীত হওয়ায় Ph.D’র প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসেছিল অর্ণব। সেই পরীক্ষায় ২৫০জনের মধ্যে প্রথম হয় অর্ণবই। গত ৯ তারিখ ছিল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ভর্তির দিন। শুধু তাঁর নয়, সেদিন আরও অনেকেরই ভর্তির দিন ছিল। কিন্তু ঠিক তার আগের দিন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয়, ইতিহাসের Ph.D’র জন্য Merit-based Counseling হচ্ছে না। কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘Unavoidable Circumstances’। সেই বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিতর্ক বাঁধে জোরদার। এবার অবশ্য অর্ণবের ভর্তির পথে অন্তরায় দূর করতে অবতীর্ণ হচ্ছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও অখিল গিরি।

Advertisement

এদিন সকালে একটি ট্যুইট করেন তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ। তাতে তিনি লেখেন, ‘মাওবাদী অভিযোগে বন্দি অর্ণব দামকে পিএইচডি করতে দিতে হবে। ও যোগ্যতা প্রমাণ করেছে। শিক্ষামন্ত্রী ও কারামন্ত্রীর কথা হয়েছে। ওরা সহযোগিতা করবেন। অর্ণবকে হুগলি থেকে বর্ধমান জেলে সরানো হবে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ আন্তরিক। তবে উপাচার্য অকারণ জট তৈরি করে বাধা দিচ্ছেন।’ কুণাল কার্যত গোটা ঘটনার জন্য দোষ চাপিয়েছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম চন্দ্রের ওপরে। অর্ণবের এই সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসার প্রচেষ্টার পথে বাধা তৈরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত তাঁরই নির্দেশে সমস্যার সমাধান করতে মাঠে নামছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও কারামন্ত্রী অখিল গিরি। কুণালের দাবি সঠিক হলে খুব শীঘ্রই অর্ণবকে চুঁচুড়া থেকে নিয়ে যাওয়া হবে বর্ধমান জেলে। শুধু তাই নয়, সুপ্রিম কোর্টের বাতলে দেওয়া পদ্ধতি মেনে হয়তো আগামী কয়ের মাসের মধ্যেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও বদল আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে তেমনটাই জানা গিয়েছে।

Advertisement

কুণাল এদিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অর্ণবের ব্যাপারে ব্রাত্য আর অখিল এদিন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দ তনভির নাসরিন এবং হুগলি সংশোধনাগারের সুপার দেবাশিস বণিকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু ‘সমস্যা’ তৈরি করছেন উপাচার্যই। প্রসঙ্গত, ওই বিষয়ে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনে নেমেছে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনও।  এদিন উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে গেলে তারা তাঁদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সংগঠনও উপাচার্যের বিরোধিতা করেছে। তারা বলেছে, উপাচার্য উচ্চশিক্ষা দফতরের নির্দেশ সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করছেন। কুণালের অভিযোগ, সমস্যা তৈরি করছেন উপাচার্য গৌতম চন্দ্র। অর্ণব বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে তাঁর সঙ্গে পুলিশ যাবে কি না, তিনি কী ভাবে যাতায়াত করবেন, এই সব নানা বিষয় উত্থাপন করে বিষয়টিকে জটিল করছেন তিনি।

Advertisement
Tags :
Advertisement