For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

চাপের মুখে সাপের বিষ পাচারের কথা স্বীকার এলভিশের, হতে পারে ৭ বছরের জেল

৭ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে এলভিশের। যদিও এর আগে এলভিশ অভিযোগ অস্বীকার করে ইন্সটাতে একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেছিলেন, 'সকালে ঘুম থেকে উঠেছি। মিডিয়ায় খবর দেখলাম এলভিশ যাদব মাদক ব্যবসায় জড়িত।
10:17 AM Mar 18, 2024 IST | Sushmitaa
চাপের মুখে সাপের বিষ পাচারের কথা স্বীকার এলভিশের  হতে পারে ৭ বছরের জেল
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে সাপের বিষ পাচারের কথা স্বীকার করলেন বিগ বস ওটিটি বিজয়ী এলভিশ যাদব। গতবছর ৮ নভেম্বর, নয়ডা পুলিশ একটি রেভ পার্টিতে সাপের বিষ পাচারের অভিযোগে এলভিশের নামে একটি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডাকা হয়েছিল। পিপল ফর অ্যানিম্যালস (পিএফএ) সংস্থার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে, নয়ডা পুলিশ সেক্টর ৫১-এ অবস্থিত একটি ব্যাঙ্কোয়েট হলে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছিল।

Advertisement

পিএফএ তার এফআইআর-এ এলভিশের নাম উল্লেখ করেছিল এবং তাঁকে রেভ পার্টির আয়োজন করার জন্য অভিযুক্ত করেছিল। জানা যায়, ওই পার্টিতে আমন্ত্রিত বিদেশীদের বিষাক্ত সাপের বিষ সরবরাহ করেছিল এলভিশ যাদব। অবশেষে গতকাল নয়ডা পুলিশ এলভিশ কে এই মামলার অভিযোগে গ্রেফতার করে। এদিন তাঁকে প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ভেটেরিনারি বিভাগের তদন্তে বলা হয়েছে যে, মোট নয়টি সাপের মধ্যে পাঁচটি কোবরার বিষগ্রন্থি অপসারণ করা হয়, আর বাকি চারটি বিষাক্ত নয়। অভিযানে নয়টি বিষধর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ আইনের অধীনে, সাপের বিষ গ্রন্থি অপসারণ করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং দোষীদের সাত বছরের জেল হতে পারে। তবে এতদিন এলভিশ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে যাচ্ছিলেন। অবশেষে পুলিশি জেরার মুখে পড়ে সবটা স্বীকার করে নিয়েছে এলভিশ। তাঁর কথায়, তিনি সাপ পাচারকারী দের সবাইকে চিনতেন। শুধু তাই নয়, এলভিশ এটাও স্বীকার করেছেন যে, বিভিন্ন রেভ পার্টিতে অভিযুক্তদের সঙ্গে দেখা করতেন এলভিশ এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। গতকাল ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

Advertisement

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, এলভিশ বিভিন্ন সাপের বিষ ক্রয় করে নারকোটিক ড্রাগস এবং সাইকোট্রপিক পদার্থ বিক্রি করা নিয়ে কাজ করত। সাধারণত এই আইনে সহজে জামিন দেওয়া হয় না। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় এলভিশকে নিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৭ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে এলভিশের। যদিও এর আগে এলভিশ অভিযোগ অস্বীকার করে ইন্সটাতে একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেছিলেন, "সকালে ঘুম থেকে উঠেছি। মিডিয়ায় খবর দেখলাম এলভিশ যাদব মাদক ব্যবসায় জড়িত। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এগুলো ভুয়ো, এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাকে নিয়ে যা বলা হচ্ছে তাতে কোনো সত্যতা নেই। অভিযোগ দিয়ে আমার নাম কলঙ্কিত করবেন না। আমি ইউপি পুলিশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আমি ইউপি পুলিশ এবং মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে অনুরোধ করতে চাই যে যদি এই বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে 1% অভিযোগও প্রমাণিত হয়, তবে আমি দায় নিতে প্রস্তুত।" এছাড়া ভাইরাল অডিওতে, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রাহুল যাদব PFA (মানেকা গান্ধীর সংগঠন পিপলস ফর অ্যানিমালস) সদস্যকে বলেছিলেন যে তিনি এই ওষুধগুলি এলভিশের পার্টিতে পৌঁছে দিয়েছিলেন। পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে রাহুল, তিতুনাথ, জয়করণ, নারায়ণ এবং রবিনাথ। রাহুলের নামে 20ml বিষ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

Advertisement
Tags :
Advertisement